
বুধবার (৫ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিষয়টি উত্থাপিত হওয়ার পরপরই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী উপস্থিত অতিথিদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি জানান, তথ্যচিত্রে কোনো ধরনের ত্রুটি বা অসম্পূর্ণতা থেকে থাকলে তা দ্রুত সংশোধন করা হবে। একই সঙ্গে প্রতিমন্ত্রীও এ অনিচ্ছাকৃত ত্রুটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।
মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসের যথার্থতা ও পূর্ণাঙ্গতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার মতামতের ভিত্তিতে তথ্যচিত্রটি সংশোধন করে শিগগিরই পুনরায় জনসম্মুখে উন্মুক্ত করা হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, প্রদর্শিত তথ্যচিত্রে জুলাই আন্দোলনের ধারাবাহিকতার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়—বিশেষ করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ভূমিকা, ৯ দফা কর্মসূচি, ৩ আগস্ট ঘোষিত এক দফা এবং সংশ্লিষ্ট ঐতিহাসিক ঘটনাবলির যথাযথ প্রতিফলন না হওয়া ছিল সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত।
এতে আরও বলা হয়, কোনো ব্যক্তি, সংগঠন বা গণ-অভ্যুত্থানে অবদান রাখা কোনো পক্ষের ভূমিকা খাটো করা, উপেক্ষা করা কিংবা ইতিহাসের কোনো অংশ আড়াল করার কোনো উদ্দেশ্য মন্ত্রণালয়ের ছিল না এবং নেই।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানায়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাসকে নির্ভুল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও তথ্যভিত্তিকভাবে সংরক্ষণে তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং আন্দোলনের প্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ করে তথ্যচিত্রটির প্রয়োজনীয় সংশোধন ও পরিমার্জনের উদ্যোগ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সংশোধিত তথ্যচিত্র দ্রুত জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে, যাতে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রকৃত ইতিহাস, ঘটনাপ্রবাহ এবং সংশ্লিষ্ট সবার গুরুত্বপূর্ণ অবদান যথাযথ মর্যাদা ও ঐতিহাসিক সত্যতা বজায় রেখে উপস্থাপিত হয়।
সবশেষে, এ ঘটনায় সৃষ্ট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় আবারও আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের ইতিহাস সংরক্ষণে সবার গঠনমূলক মতামত, সহযোগিতা ও সহমর্মিতা কামনা করে। মন্ত্রণালয় জানায়, সত্যনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ইতিহাস সংরক্ষণই তাদের অঙ্গীকার।